মানুষ সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য আল্লাহর দাসত্ব বা গোলামী করা, বন্দেগী করা, আনুগত্য করা। মুলত আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আল্লাহর বন্দেগী করার জন্যই মানুষ সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রতিনিধির কাজ হলো খালেছ ভাবে আল্লাহর দাসত্ব করা এবং আল্লাহর পাঠানো জীবন বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। অর্থ্যাৎ আল্লাহ যে বিধান দিয়েছেন তা পুরোপুরি পালন করা। নিজে কোন আইন তৈরী করবে না অন্যের কাছ থেকে গ্রহনও করবে না।
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالِْْنسَ إِلََّّ لِيَعْبُدُونِ ) ৫৬ ( الذاريا ت
আমি জীন এবং মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُو اْ رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ) ২১ ( سورة البقر ة
হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পুর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন যাতে করে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো।
ইবাদতের শাব্দিক অর্থঃ দাসত্ত¡ করা, গোলামী করা, বন্দেগী করা, আনুগত্য করা।
ইবাদতের সংজ্ঞাঃ যে সমস্ত কাজে আল্লাহর ভালোবাসা ও সন্তোষ পাওয়া যায় তাই ইবাদত। আল্লাহ তাআলাকে খুশী করার জন্য, আল্লাহর পক্ষ থেকে যে বিধি বিধান আদেশ নিষেধ এসেছে সেগুলো রাসুল (صلى الله عليه وسلم) দেখানো নিয়ম নীতি অনুযায়ী পালনকরার নামই হলো ইবাদত।
ইবাদতের ব্যাপারে সবচেয়ে উত্তম ব্যাখ্যা দিয়েছেন শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া (رحمه الله ) তিনি এ সম্পর্কে বলেন
العباده هي اسم جميع لكل من يحب الله تعالى ويرضاه من الَّقوال والَّعمال باطنه والظاهر ه
আল এবাদা হিয়া ইছমুন জামিউন লিকুল্লি মাই ইহুব্বুল্লাহু তাআলা ওয়া এয়ারদাহু মিনাল আকওয়ালি ওয়াল আমালি বাতেনা ওয়াজ জহেরা।
ইবাদত হচ্ছে ঐ সকল কাজ যে কাজকে আল্লাহ পছন্দ করেন যেটার উপর আল্লাহ রাজী থাকেন কথা হোক কর্ম হোক প্রকাশ্যে হোক অপ্রকাশ্যে হোক। ইবাদতের প্রকারভেদ Ñ ইবাদত ৩ প্রকার ১.শারীরিক ২. মানুষিক ৩. আর্থিক।
ইবাদত কবুলের শর্ত ৫টি ১. ঈমান ২. ইখলাস ৩. সুনড়বাহ অনুযায়ী ৪. সহী নিয়ত ৫. রিয়া মুক্ততা।